সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ , ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের অস্তিত্বেই তারা বিশ্বাস করে না, তাদের কি বিশ্বাস করা যায় : প্রধানমন্ত্রী হাওরজুড়ে বজ্রপাত আতঙ্ক দোয়ারাবাজারে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষ হাওর থেকে ধান আনতেই নাভিশ্বাস এসআই সুপ্রাংশু দে’র মৃত্যুতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি’র শোক শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের নবনির্মিত মন্দির উদ্বোধন আজ শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন নোনাজলে ডুবে যাচ্ছে স্বপ্ন, ডুবে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের ভোগান্তি ২০ বছরেও নির্মাণ হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক ‎জামালগঞ্জে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু ‎জামালগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত সাচনা বাজারের বন্ধ হাসপাতাল চালুতে প্রশাসনিক সুপারিশ জে-স্কয়ারের অনন্য আয়োজন ‘মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত যাদুকাটা বালু মহাল ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক পাগল হাসানের গান রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের দাবি বজ্রপাত কেড়ে নিল ৫ প্রাণ মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই বিএনপির কাউন্সিল, আসছে বড় পরিবর্তন

স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও

  • আপলোড সময় : ০২-০৩-২০২৫ ০৩:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৩-২০২৫ ০৩:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
স্টাফ রিপোর্টার :: পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতেই সুনামগঞ্জে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের ফলের দাম। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগামী ১-২ দিনের মধ্যে ফলের নতুন চালান না আসলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিবছরই রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি বাজারে ফলের দাম বৃদ্ধি পায়। এবছরও ফলের বাজারে স্বস্তি নেই। তাদের দাবি, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দাম বৃদ্ধি করছেন। রমজানে সব ধরনের পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার দাবি জানান ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে অন্যান্য দ্রব্যের পাশাপাশি ফলের চাহিদা অনেকটা বেশি থাকে। যার কারণে দাম কিছুটা বাড়ে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল না পাওয়ায় দাম আরও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীরা। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বেশ কিছু ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, কমলা কেজি প্রতি প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকা। আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৭০ টাকা, মাল্টা ৩০০-৩১০, আঙ্গুর (সাদা) ৩৩০-৩৫০, আঙ্গুর (কালো) ৪৮০-৫০০, ডালিম ৩৫০-৩৬০, পেয়ারা ১০০-১২০ টাকা, খেজুর (জিহাদী) ২৯০-৩০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি করা হচ্ছে। তরমুজের দামও বেড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হবে। এভাবে ফলের বাড়তি দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বাজারে আসা ক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে। আগে আপেল ১৬০-১৮০ টাকায় পাওয়া যেত কিন্তু এখন দাম ২৫০ টাকার উপরে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে ফল ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। আরিফ মিয়া নামের এক ক্রেতা জানান, রমজানে তো সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি রাখবো তাঁরা যেন নিয়মিত বাজার মনিটরিং করেন। তাহলে এতো সহজে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াবে না। লোকমান মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগেও সবকিছুর দাম নাগালের মধ্যে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে দাম বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বাজারে এক ধরনের সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে বিভিন্ন সময়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে বাজারে কোনো ধরণের সিন্ডিকেট আছে কি-না তা প্রশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। তাহলে দাম কিছুটা কমবে। খুচরা ব্যবসায়ী রাজিব মিয়া বলেন, ফলের দাম বাড়তির দিকে। বিভিন্ন ফলে ২০-৩০ টাকা প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে। বেশি দামে ক্রয় করার কারণে কিছুটা বেশি দামে ফল বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। ব্যবসায়ী ছাদিক জানান, বাজারে পর্যাপ্ত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, এখন দাম বেশি দিয়ে কিনে আমরা তো আর কম দামে বিক্রি করতে পারি না। আমরা সব সময়ই চেষ্টা করি কম দামেই বিক্রি করার। সুয়েল মিয়া নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে ফলের দাম বাড়ছে। কয়দিন আগেও দাম তুলনামূলক অনেক কম ছিল। কিন্তু এখন দাম বাড়ছে। এই দাম বাড়ার প্রবণতা পুরো রমজানজুড়েই থাকবে। আমাদের মতো সাধারণ বিক্রেতাদের করার কিছুই নেই।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স